সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে রক্তি ও সুরমা নদীতে চলাচলরত বালু-পাথর বৌঝাইকৃত বাল্কহেড থেকে বিআইডব্লিউটিএর ইজারাকৃত চাঁদা আদায়ের নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দূর্লভপুর বালু পাথর ব্যবসায়ী ও নৌকার মালিক শ্রমিকদের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সাচনা বাজার ইউনিয়নের দূর্লভপুর বাজারে দূর্লভপুর বালু-পাথর ব্যবসায়ী সংস্থা, নৌকা মালিক সমিতি ও নৌযান শ্রমিকদের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দূর্লভপুর বালু-পাথর ব্যবসায়ী সংস্থার সভাপতি ও সাচনাবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হক আফিন্দীর সভাপতিত্বে সংস্থাটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী মহিবুর রহমান। এসময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী এমদাদুল হক আফিন্দী, মকবুল হোসেন আফিন্দী, আলম চৌধুরী, আবুল হোসেন, এবি এম নজরুল ইসলাম, সাচনা বাজার ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেন শাহ ও চাঁদাবাজ কর্তৃক নির্যাতিত নৌকা মালিক বুরহান উদ্দিন। নাইক্ষ্যংছড়িতে ১৯টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন বীর বাহাদুর উশৈসিং
এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ বছর যাবত তাঁরা উপজেলার দূর্লভপুর পয়েন্টে বালু, পাথর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। জেলার ছাতক, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুরের ফাজিলপুরসহ সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বালু, পাথর সংগ্রহ করে নৌপরিবহনে ঢাকাসহ সারা দেশে নেয়া হয়। সংগ্রহকৃত এই বালু পাথর বাল্কহেড দিয়ে জামালগঞ্জের রক্তি ও সুরমা নদী দিয়ে যাওয়ার সময় বিআইডব্লিউটিএ’র ইজারাদার ইয়াকবির আফিন্দিসহ তার লোকজন চাঁদা আদায়ের নামে প্রতি ঘনফুট ২৫ পয়সার বদলে ৫০ পয়সা করে আদায় করা হচ্ছে। এছাড়াও লোড-আনলোড ও চলতি নৌযান থেকে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জোর পূর্বক অবৈধ আদায় করছে। তাদের এই চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকার বালু পাথর ব্যবসায়ী দেশের বিভিন্ন জেলার নৌযান শ্রমিকরা।
এছাড়াও এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় দূর্লভপুর বালু পাথর ব্যবসায়ীদের উপর চাঁদাবাজির মামলা করবে বলে ইজারাদাররা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলেও বক্তব্যে তুলে ধরেন ব্যবসায়ী নেতারা।